মহান আল্লাহ’র সুন্দর নামসমূহ

0
425

আর আল্লাহর জন্য রয়েছে সব উত্তম নাম। কাজেই সে নাম ধরেই তাঁকে ডাকো। আর তাদেরকে বর্জন কর, যারা তাঁর নাম বিকৃত করে। তারা নিজেদের কৃতকর্মের ফল শীঘ্রই পাবে।” [সূরা আ’রাফ (৭): ১৮০]

চলছে দুই বছর মেয়াদী আরবি ভাষা শিক্ষা প্রোগ্রাম IIRT Arabic Intensive এর Fall 2018 সেমিস্টারের রেজিস্ট্রেশন। কোর্সে রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন।

কেউ যদি এসব নাম থেকে নিরানব্বইটি বিশেষ নাম সংরক্ষণ করতে পারে তবে তার জন্য জান্নাতের ঘোষণা রয়েছে।

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ “‏ إِنَّ لِلَّهِ تَعَالَى تِسْعَةً وَتِسْعِينَ اسْمًا مِائَةً غَيْرَ وَاحِدَةٍ مَنْ أَحْصَاهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ هُوَ اللَّهُ الَّذِي لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الرَّحْمَنُ الرَّحِيمُ الْمَلِكُ الْقُدُّوسُ السَّلاَمُ الْمُؤْمِنُ الْمُهَيْمِنُ الْعَزِيزُ الْجَبَّارُ الْمُتَكَبِّرُ الْخَالِقُ الْبَارِئُ الْمُصَوِّرُ الْغَفَّارُ الْقَهَّارُ الْوَهَّابُ الرَّزَّاقُ الْفَتَّاحُ الْعَلِيمُ الْقَابِضُ الْبَاسِطُ الْخَافِضُ الرَّافِعُ الْمُعِزُّ الْمُذِلُّ السَّمِيعُ الْبَصِيرُ الْحَكَمُ الْعَدْلُ اللَّطِيفُ الْخَبِيرُ الْحَلِيمُ الْعَظِيمُ الْغَفُورُ الشَّكُورُ الْعَلِيُّ الْكَبِيرُ الْحَفِيظُ الْمُقِيتُ الْحَسِيبُ الْجَلِيلُ الْكَرِيمُ الرَّقِيبُ الْمُجِيبُ الْوَاسِعُ الْحَكِيمُ الْوَدُودُ الْمَجِيدُ الْبَاعِثُ الشَّهِيدُ الْحَقُّ الْوَكِيلُ الْقَوِيُّ الْمَتِينُ الْوَلِيُّ الْحَمِيدُ الْمُحْصِي الْمُبْدِئُ الْمُعِيدُ الْمُحْيِي الْمُمِيتُ الْحَىُّ الْقَيُّومُ الْوَاجِدُ الْمَاجِدُ الْوَاحِدُ الصَّمَدُ الْقَادِرُ الْمُقْتَدِرُ الْمُقَدِّمُ الْمُؤَخِّرُ الأَوَّلُ الآخِرُ الظَّاهِرُ الْبَاطِنُ الْوَالِي الْمُتَعَالِي الْبَرُّ التَّوَّابُ الْمُنْتَقِمُ الْعَفُوُّ الرَّءُوفُ مَالِكُ الْمُلْكِ ذُو الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ الْمُقْسِطُ الْجَامِعُ الْغَنِيُّ الْمُغْنِي الْمَانِعُ الضَّارُّ النَّافِعُ النُّورُ الْهَادِي الْبَدِيعُ الْبَاقِي الْوَارِثُ الرَّشِيدُ الصَّبُورُ

আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ তা’আলার নিরানব্বইটি (এক কম একশ) নাম রয়েছে, যে উহা গণনা করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। তিনিই আল্লাহ যিনি ছাড়া কোন মাবুদ নেই, আর রাহমান, আর-রহী’ম, আল-মালিক, আল-কুদ্দুস, আস-সালাম, আল-মু’মিন, আল-মুহাইমিন, আল-আ’জীজ, আল-জাব্বার, আল-মুতাকাব্বিইর, আল-খালিক্ব, আল-বারী, আল-মুছউইর, আল-গফ্ফার, আল-ক্বাহার, আল-ওয়াহ্হাব, আর-রজ্জাক্ব, আল ফাত্তাহ, আল-আ’লীম, আল-ক্ববিদ্ব’, আল-বাসিত, আর-রফীই’, আল-মুই’জ্ব, আল-মুদ্বি’ল্লু, আস্-সামিই’, আল-বাছীর, আল-হা’কাম, আল-আ’দল, আল-লাতীফ, আল-খ’বীর, আল-হা’লীম, আল-আ’জীম, আল-গফুর, আশ্-শাকুর, আল-আ’লিইউ, আল-কাবিইর, আল-হা’ফীজ, আল-মুক্বীত, আল-হাসীব, আল-জালীল, আল-কারীম, আর-রক্বীব, আল-মুজীব, আল-ওয়াসি’ , আল-হাকীম, আল-ওয়াদুদ, আল-মাজীদ, আল-বাই’ছ’, আশ্-শাহীদ, আল-হা’ক্ব, আল-ওয়াকিল, আল-ক্বউইউ, আল-মাতীন, আল-ওয়ালিইউ, আল-হা’মীদ, আল-মুহছী, আল-মুব্দি’, আল-মুঈ’দ, আল-মুহ’য়ী, আল-মুমীতআল-হাইয়্যু, আল-ক্বাইয়্যুম, আল-ওয়াজিদ, আল-মাজিদ, আল-ওয়াহি’দ, আল-আহাদ, আছ্-ছমাদ, আল-ক্বদির, আল-মুক্ব্তাদির, আল-মুক্বদ্দিম, আল-মুয়াক্খির, আল-আউয়াল, আল-আখির, আজ-জ’হিরআল-বাত্বিন, আল-ওয়ালি, আল-মুতাআ’লি, আল-বার্, আত্-তাওয়াব, আল-মুনতাক্বিম, আল-আ’ফঊ, আর-রউফ, মালিকুল-মুলক, যুল-জালালি-ওয়াল-ইকরাম, আল-মুক্ব্সিত, আল-জামিই’, আল-গণিই’, আল-মুগনিই’, আল-মানিই’, আয্-যর, আন্-নাফিই’, আন্-নূর, আল-হাদী, আল-বাদীই’, আল-বাক্বী, আল-ওয়ারিস’, আর-রাশীদ, আস-সবুর।” [তিরমিযি, ৩৫০৭ (যয়ীফ)]

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ “‏ إِنَّ لِلَّهِ تِسْعَةً وَتِسْعِينَ اسْمَا مِائَةً إِلاَّ وَاحِدًا مَنْ أَحْصَاهَا دَخَلَ الْجَنَّةَ

আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেন, “আল্লাহ তা’আলার এমন নিরানব্বইটি (এক কম একশ) নাম রয়েছে, যে উহা গণনা করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।” [বুখারী, ২৭৩৬]

তবে আল্লাহর নামসমূহ সুনির্দিষ্ট কোনো সংখ্যায় সীমিত নয়। প্রসিদ্ধ একটি হাদীসে এসেছে,

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “আমি আপনার কাছে প্রর্থনা করছি প্রত্যেক নামের উসিলায় যা কেবল আপনার, যে নাম আপনি নিজেকে দিয়েছেন, অথবা আপনার কিতাবে নাযিল করেছেন, অথবা আপনার সৃষ্টিকুলের মধ্যে কাউকে শিখিয়েছেন, অথবা আপনার ইলমে গায়েবে রেখে দিয়েছেন।” [মুসনাদ আহমাদ ও হাকিম]

আল্লাহর নামসমূহের প্রতি ঈমানের একটি দাবি হলো, এ নামগুলোর মাধ্যমে আল্লাহকে ডাকা, আল্লাহর কাছে দু‘আ করা; ইবাদাত ও প্রার্থনা উভয় প্রকারের দু‘আ। ইবাদাতের দু‘আর অর্থ এ নামগুলো পড়ার মাধ্যমে আল্লাহর ইবাদাত করা। আর প্রার্থনার দু‘আর অর্থ এ নামগুলোর মাধ্যমে আল্লাহর কাছে কোনো কিছু চাওয়া।وَلِلَّهِ الْأَسْمَاءُ الْحُسْنَى فَادْعُوهُ بِهَا আয়াতটি এদিকেই ইঙ্গিত করছে। এ বিষয়ে হাদীসেও স্পষ্ট নির্দেশনা এসেছে।

রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এক ব্যক্তিকে এই বলে দু’আ করতে শুনলেন “হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে এই বলে প্রার্থনা করছি যে, আপনার জন্যই প্রশংসা, আপনি ছাড়া অন্য কোনো ইলাহ নেই। আপনি একক, আপনার কোনো শরীক নেই। আপনি অতি দয়াশীল। আসমানসমূহ ও জমিনের স্রষ্টা। আপনি মর্যাদাবান ও সম্মানের পাত্র। হে চিরঞ্জীব, হে সকল সত্ত্বার ধারক। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বললেন, “তুমি ইসমে-আযমের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেছো, যার দ্বারা ডাকলে আল্লাহ সাড়া দেন, যার দ্বারা প্রার্থনা করলে তিনি দান করেন।” [মুসনাদ আহমাদ (হাসান)]

১. الرَّحْمَنُ পরম দয়াময় (The Exceedingly Beneficent, The Exceedingly Gracious)

২. الرَّحِيمُ পরম দয়ালু (The Exceedingly Merciful)

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ – ١:١

“শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।” [সূরা ফাতিহা (১): ১]

وَإِلَٰهُكُمْ إِلَٰهٌ وَاحِدٌ ۖ لَّا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ الرَّحْمَٰنُ الرَّحِيمُ – ٢:١٦٣

“আর তোমাদের উপাস্য একইমাত্র উপাস্য। তিনি ছাড়া মহা করুণাময় দয়ালু কেউ নেই।” [সূরা বাক্বারাহ (২): ১৬৩]

أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ “‏ جَعَلَ اللَّهُ الرَّحْمَةَ مِائَةَ جُزْءٍ، فَأَمْسَكَ عِنْدَهُ تِسْعَةً وَتِسْعِينَ جُزْءًا، وَأَنْزَلَ فِي الأَرْضِ جُزْءًا وَاحِدًا، فَمِنْ ذَلِكَ الْجُزْءِ يَتَرَاحَمُ الْخَلْقُ، حَتَّى تَرْفَعَ الْفَرَسُ حَافِرَهَا عَنْ وَلَدِهَا خَشْيَةَ أَنْ تُصِيبَهُ

আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্নিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ)-কে বলতে শুনেছি, “আল্লাহ তাঁর দয়াকে এক’শ ভাগ করেছেন, তার মধ্যে নিরানব্বই ভাগ তিনি নিজের কাছে রেখে দিয়েছেন। আর পৃথিবীতে এক ভাগ নাযিল করেছেন। এই একভাগের কারণেই তাঁর সৃষ্টিগুলো একে অন্যের উপর দয়া করে, এমনকি ঘোড়া তার বাচ্চার উপর থেকে পা তুলে নেয় এই ভয়ে যে, বাচ্চা ব্যথা পাবে।” [বুখারী, ৬০০০]

عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ “‏ يَنْزِلُ اللَّهُ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا كُلَّ لَيْلَةٍ حِينَ يَمْضِي ثُلُثُ اللَّيْلِ الأَوَّلُ فَيَقُولُ أَنَا الْمَلِكُ أَنَا الْمَلِكُ مَنْ ذَا الَّذِي يَدْعُونِي فَأَسْتَجِيبَ لَهُ مَنْ ذَا الَّذِي يَسْأَلُنِي فَأُعْطِيَهُ مَنْ ذَا الَّذِي يَسْتَغْفِرُنِي فَأَغْفِرَ لَهُ فَلاَ يَزَالُ كَذَلِكَ حَتَّى يُضِيءَ الْفَجْرُ

আবু হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্নিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, “আমাদের পালনকর্তা মহান আল্লাহ প্রতি রাতের তৃতীয় প্রহরে নিম্নতম আসমানে অবতরণ করেন এবং বলতে থাকেন, আমি মালিক, আমিই মালিক, কে আছো আমাকে ডাকবে, আমি তার ডাকে সাড়া দেবো? কে আছো আমার কাছে চাইবে, আমি তাকে দান করবো? কে আছো আমার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে, আমি তাকে ক্ষমা করে দেবো?’ এভাবে তিনি ফজর স্পষ্ট হওয়া পর্যন্ত আহবান করেন।” [মুসলিম, ৭৫৮]

৩. الْمَلِكُ সর্বাধিকারী (The King, The Sovereign, The Absolute Ruler)

وَلِلَّهِمُلْكُالسَّمَاوَاتِوَالْأَرْضِوَمَابَيْنَهُمَا ۖوَإِلَيْهِالْمَصِيرُ- ٥:١٨

“আর আল্লাহ্‌রই মহাকাশমণ্ডল ও পৃথিবীর সাম্রাজ্য এবং এই দুইয়ের মধ্যে যা আছে, আর তাঁরই দিকে প্রত্যাবর্তন।” [সূরা মায়িদাহ (৫): ১৮]

إِنَّ اللَّهَ لَهُ مُلْكُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۖ يُحْيِي وَيُمِيتُ ۚ وَمَا لَكُم مِّن دُونِ اللَّهِ مِن وَلِيٍّ وَلَا نَصِيرٍ – ٩:١١٦

“নিঃসন্দেহ আল্লাহ্ মহাকাশমণ্ডল ও পৃথিবীর রাজত্ব তাঁরই। তিনি জীবন দান করেন ও মৃত্যু ঘটান। আর আল্লাহ্‌কে ছেড়ে দিয়ে তোমাদের জন্য অভিভাবকের কেউ নেই বা সাহায্যকারীও নেই।” [সূরা তাওবাহ (৯): ১১৬]

عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقُولُ عِنْدَ الْكَرْبِ ‏ “‏ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ الْعَظِيمُ الْحَلِيمُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ رَبُّ السَّمَوَاتِ وَرَبُّ الأَرْضِ وَرَبُّ الْعَرْشِ الْكَرِيمِ

ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্নিত, নবী (সাঃ) বিপদের সময়ে এই দু’আ পড়তেন, “আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, যিনি উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন এবং অশেষ ধৈর্যশীল, আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই যিনি আরশে আযিমের প্রভু, আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই যিনি আসমান ও জমিনের মালিক এবং সম্মানিত আরশের মালিক।” [মুসলিম, ২৭৩০]

৪. الْقُدُّوسُ নিষ্কলুষ (The Holy, The Divine, The Pure One, The Purifier)

৫. السَّلَامُ শান্তি বিধায়ক (The Peace, The Source of Peace and Safety)

৬. الْمُؤْمِنُ নিরাপত্তা বিধায়ক (The Guarantor, The Affirming, The Inspirer of Faith)

৭. الْمُهَيْمِنُ রক্ষণ ব্যবস্থাকারী (The Guardian)

৮. الْعَزِيزُ সর্বশক্তিমান (The Almighty, The Invulnerable)

৯. الْجَبَّارُ পরাক্রমশালী (The Irresistible, The Compeller)

১০. الْمُتَكَبِّرُ অহংকারের ন্যায্য অধিকারী (The Majestic, The Supreme, The Greatest)

هُوَ اللَّهُ الَّذِي لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ الْمَلِكُ الْقُدُّوسُ السَّلَامُ الْمُؤْمِنُ الْمُهَيْمِنُ الْعَزِيزُ الْجَبَّارُ الْمُتَكَبِّرُ ۚ سُبْحَانَ اللَّهِ عَمَّا يُشْرِكُونَ – ٥٩:٢٣

“তিনিই আল্লাহ তিনি ব্যতিত কোনো উপাস্য নেই। তিনিই একমাত্র মালিক, পবিত্র, শান্তি ও নিরাপত্তাদাতা, আশ্রয়দাতা, পরাক্রান্ত, প্রতাপান্বিত, মাহাত্ম্যশীল। তারা যাকে অংশীদার করে আল্লাহ তা’আলা তা থেকে পবিত্র।” [সূরা হাশর (৫৯): ২৩]

يُسَبِّحُ لِلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَمَا فِي الْأَرْضِ الْمَلِكِ الْقُدُّوسِ الْعَزِيزِ الْحَكِيمِ – ٦٢:١

“রাজ্যাধিপতি, পবিত্র, পরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময় আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করে, যা কিছু আছে নভোমণ্ডলে ও যা কিছু আছে ভূমণ্ডলে।” [সূরা জুমুআ (৬২): ১]

عَنْ ثَوْبَانُ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ كَانَ إِذَا انْصَرَفَ مِنْ صَلاَتِهِ اسْتَغْفَرَ ثَلاَثَ مَرَّاتٍ ثُمَّ يَقُولُ ‏ “‏ اللَّهُمَّ أَنْتَ السَّلاَمُ وَمِنْكَ السَّلاَمُ تَبَارَكْتَ يَا ذَا الْجَلاَلِ وَالإِكْرَامِ

সাওবান (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সাঃ) যখন সালাতের সালাম ফিরাতেন তখন তিনি তিনবার ইস্তেগফার পড়তেন এবং তারপর বলতেন “হে আল্লাহ্‌! তুমি শান্তিময়, তোমার থেকে শান্তি অবতীর্ণ হয়। তুমি বরকতময়, হে পরাক্রমশালী ও মর্যাদা প্রদানকারী।” [ইবনু-মাজাহ, ৯২৮(সহীহ)]

১১. الْخَالِقُ সৃষ্টিকারী (The Creator)

ذَٰلِكُمُ اللَّهُ رَبُّكُمْ ۖ لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ۖ خَالِقُ كُلِّ شَيْءٍ فَاعْبُدُوهُ ۚ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ وَكِيلٌ – ٦:١٠٢

“তিনিই আল্লাহ তোমাদের পালনকর্তা। তিনি ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই। তিনিই সব কিছুর স্রষ্টা। অতএব, তোমরা তাঁরই এবাদত কর। তিনি প্রত্যেক বস্তুর কার্যনির্বাহী।” [সূরা আন’আম (৬): ১০২]

اللَّهُ خَالِقُ كُلِّ شَيْءٍ ۖ وَهُوَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ وَكِيلٌ – ٣٩:٦٢

“আল্লাহ সর্বকিছুর স্রষ্টা এবং তিনি সবকিছুর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।” [সূরা যুমার (৩৯): ৬২]

১২. الْبَارِئُ উন্মেষকারী (The Developer, The Maker of Order)

১৩. الْمُصَوِّرُ রূপদানকারী (The Fashioner, The Shaper, The Designer)

هُوَ اللَّهُ الْخَالِقُ الْبَارِئُ الْمُصَوِّرُ ۖ لَهُ الْأَسْمَاءُ الْحُسْنَىٰ ۚ يُسَبِّحُ لَهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۖ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ – ٥٩:٢٤

“তিনিই আল্লাহ তা’আলা, স্রষ্টা, উদ্ভাবক, রূপদাতা, উত্তম নামসমূহ তাঁরই। নভোমণ্ডলে ও ভূমণ্ডলে যা কিছু আছে, সবই তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করে। তিনি পরাক্রান্ত প্রজ্ঞাময়।” [সূরা হাশর (৫৯): ২৪]

১৪. الْغَفَّارُ পুনঃপুনঃ মার্জনাকারী (The Repeatedly Forgiving, The Forgiving)

وَإِنِّي لَغَفَّارٌ لِّمَن تَابَ وَآمَنَ وَعَمِلَ صَالِحًا ثُمَّ اهْتَدَىٰ – ٢٠:٨٢

“আর যে তওবা করে, ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে অতঃপর সৎপথে অটল থাকে, আমি তার প্রতি অবশ্যই ক্ষমাশীল।” [সূরা ত্বা-হা (২০): ৮২]

رَبُّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَمَا بَيْنَهُمَا الْعَزِيزُ الْغَفَّارُ – ٣٨:٦٦

“তিনি আসমান-জমিন ও এতদুভয়ের মধ্যবর্তী সব কিছুর পালনকর্তা, পরাক্রমশালী, মার্জনাকারী।” [সূরা সোয়াদ (৩৮): ৬৬]

عَنْأَنَسُبْنُمَالِكٍ،قَالَسَمِعْتُرَسُولَاللَّهِصلىاللهعليهوسلميَقُولُ‏ “‏قَالَاللَّهُيَاابْنَآدَمَإِنَّكَمَادَعَوْتَنِيوَرَجَوْتَنِيغَفَرْتُلَكَعَلَىمَاكَانَفِيكَوَلاَأُبَالِييَاابْنَآدَمَلَوْبَلَغَتْذُنُوبُكَعَنَانَالسَّمَاءِثُمَّاسْتَغْفَرْتَنِيغَفَرْتُلَكَوَلاَأُبَالِييَاابْنَآدَمَإِنَّكَلَوْأَتَيْتَنِيبِقُرَابِالأَرْضِخَطَايَاثُمَّلَقِيتَنِيلاَتُشْرِكُبِيشَيْئًالأَتَيْتُكَبِقُرَابِهَامَغْفِرَةً

আনাস ইবন মালিক (রা:) হতে বর্নিত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন- “সুমহান আল্লাহ বলেছেন, ‘হে আদম সন্তান! যতক্ষণ পর্যন্ত তুমি আমাকে ডাকতে থাকো এবং আমার আশা পোষণ করতে থাকো, সে পর্যন্ত আমি তোমাকে মার্জনা করতে থাকি, তোমার যত পাপই হোক না কেন। আর আমি কোনো ভয় করি না। হে আদম সন্তান! যদি তোমার পাপরাশি আসমান পর্যন্তও পৌঁছে, তারপর তুমি আমার কাছে মাফ চাও, আমি তোমাকে মাফ করে দিই এবং আমি কাউকে গ্রাহ্য করি না। সুতরাং হে আদম সন্তান, যদি তুমি পৃথিবী সমান পাপ নিয়ে আমার কাছে আসো এমন অবস্থায় যে তুমি কাউকে আমার শরীক করনি, আমি আসবো সমপরিমাণ ক্ষমা নিয়ে।’” [তিরমিযি, ৩৫৪০(হাসান)]

أَبَا هُرَيْرَةَ، قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ “‏ إِنَّ عَبْدًا أَصَابَ ذَنْبًا ـ وَرُبَّمَا قَالَ أَذْنَبَ ذَنْبًا ـ فَقَالَ رَبِّ أَذْنَبْتُ ـ وَرُبَّمَا قَالَ أَصَبْتُ ـ فَاغْفِرْ لِي فَقَالَ رَبُّهُ أَعَلِمَ عَبْدِي أَنَّ لَهُ رَبًّا يَغْفِرُ الذَّنْبَ وَيَأْخُذُ بِهِ غَفَرْتُ لِعَبْدِي‏.‏ ثُمَّ مَكَثَ مَا شَاءَ اللَّهُ، ثُمَّ أَصَابَ ذَنْبًا أَوْ أَذْنَبَ ذَنْبًا، فَقَالَ رَبِّ أَذْنَبْتُ ـ أَوْ أَصَبْتُ ـ آخَرَ فَاغْفِرْهُ‏.‏ فَقَالَ أَعَلِمَ عَبْدِي أَنَّ لَهُ رَبًّا يَغْفِرُ الذَّنْبَ وَيَأْخُذُ بِهِ غَفَرْتُ لِعَبْدِي، ثُمَّ مَكَثَ مَا شَاءَ اللَّهُ ثُمَّ أَذْنَبَ ذَنْبًا ـ وَرُبَّمَا قَالَ أَصَابَ ذَنْبًا ـ قَالَ قَالَ رَبِّ أَصَبْتُ ـ أَوْ أَذْنَبْتُ ـ آخَرَ فَاغْفِرْهُ لِي‏.‏ فَقَالَ أَعَلِمَ عَبْدِي أَنَّ لَهُ رَبًّا يَغْفِرُ الذَّنْبَ وَيَأْخُذُ بِهِ غَفَرْتُ لِعَبْدِي ـ ثَلاَثًا ـ فَلْيَعْمَلْ مَا شَاءَ

আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সাঃ) কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, কোনো বান্দা পাপ করলো। অতঃপর বলে, হে আমার রব আমি পাপ করেছি, আমাকে ক্ষমা করুন। তার রব বলেন, আমার বান্দা জানে যে তার একজন রব রয়েছে, যিনি পাপ ক্ষমা করেন অথবা তার জন্য পাকড়াও করেন, আমি আমার বান্দাকে ক্ষমা করেদিলাম। অতঃপর আল্লাহ যতদিন চান সে পাপ হতে বিরত থাকে।অতঃপর আবারপাপ সংগঠিত করল, অতঃপর বলে, হে আমার রব, আমি আবার পাপ করেছি, আপনি তা ক্ষমা করুন। আল্লাহ বলেন, আমার বান্দা জানে যে তার একজন রব রয়েছে, যিনি পাপ ক্ষমা করেন অথবা তার জন্য পাকড়াও করেন? আমার বান্দাকে আমি ক্ষমা করে দিলাম। অতঃপর আল্লাহর যতদিন চান সে পাপ হতে বিরত থাকে।অতঃপর আবার পাপ করল । অতঃপর বলে, হে আমার রব আমি পাপ করেছি আবারও, আপনি আমার জন্য তাক্ষমা করুন। আল্লাহ বলেন, আমার বান্দা জানে যে তার একজন রব রয়েছে, যিনি পাপ ক্ষমা করেন অথবা তার জন্য পাকড়াও করেন? আমি আমার বান্দাকে ক্ষমা করেদিলাম, সে যা ইচ্ছা করুক। [বুখারী, ৭৫০৭]

১৫. الْقَهَّارُ দমনকারী (The Subduer)

قُلِ اللَّهُ خَالِقُ كُلِّ شَيْءٍ وَهُوَ الْوَاحِدُ الْقَهَّارُ

“বলুন, আল্লাহই প্রত্যেক বস্তুর স্রষ্টা এবং তিনি একক, পরাক্রমশালী।” [সূরা রা’দ (১৩):১৬]

قُلْ إِنَّمَا أَنَا مُنذِرٌ ۖ وَمَا مِنْ إِلَٰهٍ إِلَّا اللَّهُ الْوَاحِدُ الْقَهَّارُ – ٣٨:٦٥

“বলুন, আমি তো একজন সতর্ককারী মাত্র এবং এক পরাক্রমশালী আল্লাহ ব্যতীত কোন উপাস্য নেই।” [সূরা সোয়াদ, (৩৮):৬৫]

هُوَ اللَّهُ الْوَاحِدُ الْقَهَّارُ

“তিনি আল্লাহ, এক পরাক্রমশালী।” [সূরা যুমার (৩৯):৪]

১৬. الْوَهَّابُ মহা দাতা (The Bestower, The Giver of All)

رَبَّنَا لَا تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً ۚ إِنَّكَ أَنتَ الْوَهَّابُ – ٣:٨

“হে আমাদের পালনকর্তা! সরল পথ প্রদর্শনের পর তুমি আমাদের অন্তরকে সত্যলঙ্ঘনে প্রবৃত্ত করোনা এবং তোমার নিকট থেকে আমাদিগকে অনুগ্রহ দান কর। তুমিই সব কিছুর দাতা।” [সূরা আলে ইমরান (৩):৮]

قَالَ رَبِّ اغْفِرْ لِي وَهَبْ لِي مُلْكًا لَّا يَنبَغِي لِأَحَدٍ مِّن بَعْدِي ۖ إِنَّكَ أَنتَ الْوَهَّابُ – ٣٨:٣٥

“সোলায়মান বলল, হে আমার পালনকর্তা, আমাকে মাফ করুন এবং আমাকে এমন সাম্রাজ্য দান করুন যা আমার পরে আর কেউ পেতে পারবে না। নিশ্চয় আপনি মহাদাতা।” [সূরা সোয়াদ (৩৮):৩৫]

১৭. الرَّزَّاقُ জীবিকা দাতা (The Provider, The Sustainer)

إِنَّ اللَّهَ هُوَ الرَّزَّاقُ ذُو الْقُوَّةِ الْمَتِينُ – ٥١:٥٨

“আল্লাহ তা’আলাই তো জীবিকাদাতা শক্তির আধার, পরাক্রান্ত।” [সূরা যারিয়াত (৫১):৫৮]

১৮. الْفَتَّاحُ প্রারম্ভকারী, বিজয়দানকারী (The Opener, The Victory Giver)

قُلْ يَجْمَعُ بَيْنَنَا رَبُّنَا ثُمَّ يَفْتَحُ بَيْنَنَا بِالْحَقِّ وَهُوَ الْفَتَّاحُ الْعَلِيمُ – ٣٤:٢٦

“বলুন, আমাদের পালনকর্তা আমাদেরকে সমবেত করবেন, অতঃপর তিনি আমাদের মধ্যে সঠিকভাবে ফয়সালা করবেন। তিনি ফয়সালাকারী, সর্বজ্ঞ।” [সূরা সাবা (৩৪):২৬]

১৯. الْعَلِيمُ মহাজ্ঞানী (The All-Knowing, The Knower of All, Omniscient)

إِنَّ اللَّهَ عَالِمُ غَيْبِ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۚ إِنَّهُ عَلِيمٌ بِذَاتِ الصُّدُورِ – ٣٥:٣٨

“আল্লাহ আসমান ও জমিনের অদৃশ্য বিষয় সম্পর্কে জ্ঞাত। তিনি অন্তরের বিষয় সম্পর্কেও সবিশেষ অবহিত।” [সূরা ফাতির (৩৫):৩৮]

هُوَ اللَّهُ الَّذِي لَا إِلَٰهَ إِلَّا هُوَ ۖ عَالِمُ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ ۖ هُوَ الرَّحْمَٰنُ الرَّحِيمُ – ٥٩:٢٢

“তিনিই আল্লাহ তা’আলা, তিনি ব্যতীত কোনো উপাস্য নেই; তিনি দৃশ্য ও অদৃশ্যকে জানেন তিনি পরম দয়ালু, অসীম দাতা।” [সূরা হাশর (৫৯):২২]

২০. الْقَابِضُ সংকোচনকারী (The Restrainer, The Straightener, The Constrictor)

২১. الْبَاسِطُ সম্প্রসারণকারী (The Extender / Expander, The Reliever)

وَاللَّهُ يَقْبِضُ وَيَبْسُطُ وَإِلَيْهِ تُرْجَعُونَ – ٢:٢٤٥

“আল্লাহই সংকোচিত করেন এবং তিনিই প্রশস্ততা দান করেন এবং তাঁরই নিকট তোমরা সবাই ফিরে যাবে।” [সূরা বাক্বারাহ (২):২৪৫]

২২. الْخَافِضُ অবনমনকারী (The Abaser, The Humiliator)

২৩. الرَّافِعُ উন্নয়নকারী (The Exalter)

نَرْفَعُ دَرَجَاتٍ مَّن نَّشَاءُ

“আমি যাকে ইচ্ছা মর্যাদায় সমুন্নত করি।” [সূরা আন’আম (৬):৮৩]

يَرْفَعِ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا مِنكُمْ وَالَّذِينَ أُوتُوا الْعِلْمَ دَرَجَاتٍ

“তোমাদের মধ্যে যারা ঈমানদার এবং যারা জ্ঞানপ্রাপ্ত, আল্লাহ তাদের মর্যাদা উচ্চ করে দিবেন।” [সূরা মুজাদালাহ (৫৮)-১১]

২৪. الْمُعِزُّ সম্মানদাতা (The Giver of Honor, The Bestower of Honors)

২৫. الْمُذِلُّ সম্মানহরণকারী (The Giver of Dishonor, The Humiliator)

قُلِ اللَّهُمَّ مَالِكَ الْمُلْكِ تُؤْتِي الْمُلْكَ مَن تَشَاءُ وَتَنزِعُ الْمُلْكَ مِمَّن تَشَاءُ وَتُعِزُّ مَن تَشَاءُ وَتُذِلُّ مَن تَشَاءُ ۖ بِيَدِكَ الْخَيْرُ ۖ إِنَّكَ عَلَىٰ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ – ٣:٢٦

“বলুন, ইয়া আল্লাহ! তুমিই সার্বভৌম শক্তির অধিকারী। তুমি যাকে ইচ্ছা রাজ্য দান কর এবং যার কাছ থেকে ইচ্ছা রাজ্য ছিনিয়ে নাও এবং যাকে ইচ্ছা সম্মান দান কর আর যাকে ইচ্ছা অপমানে পতিত কর। তোমারই হাতে রয়েছে যাবতীয় কল্যাণ। নিশ্চয়ই তুমি সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাশীল।” [সূরা আলে ইমরান (৩): ২৬]

২৬. السَّمِيعُ সর্বশ্রোতা (The All Hearing)

وَإِذْ يَرْفَعُ إِبْرَاهِيمُ الْقَوَاعِدَ مِنَ الْبَيْتِ وَإِسْمَاعِيلُ رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا ۖ إِنَّكَ أَنتَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ – ٢:١٢٧

“স্মরণ কর, যখন ইব্রাহীম ও ইসমাঈল কা’বাগৃহের ভিত্তি স্থাপন করছিল। তারা দুআ করেছিলো, পরওয়ারদেগার! আমাদের থেকে কবুল কর। নিশ্চয়ই তুমি শ্রবণকারী, সর্বজ্ঞ।” [সূরা বাক্বারাহ (২):১২৭]

فَإِنْ آمَنُوا بِمِثْلِ مَا آمَنتُم بِهِ فَقَدِ اهْتَدَوا ۖ وَّإِن تَوَلَّوْا فَإِنَّمَا هُمْ فِي شِقَاقٍ ۖ فَسَيَكْفِيكَهُمُ اللَّهُ ۚ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ – ٢:١٣٧

“অতএব তারা যদি ঈমান আনে, তোমাদের ঈমান আনার মতো, তবে তারা সুপথ পাবে। আর যদি মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে তারাই হঠকারিতায় রয়েছে। সুতরাং এখন তাদের জন্যে আপনার পক্ষ থেকে আল্লাহই যথেষ্ট। তিনিই শ্রবণকারী, মহাজ্ঞানী।” [সূরা বাক্বারাহ (২):১৩৭]

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تُقَدِّمُوا بَيْنَ يَدَيِ اللَّهِ وَرَسُولِهِ ۖ وَاتَّقُوا اللَّهَ ۚ إِنَّ اللَّهَ سَمِيعٌ عَلِيمٌ – ٤٩:١

“মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহ ও রাসূলের সামনে অগ্রণী হয়ো না এবং আল্লাহকে ভয় কর। নিশ্চয় আল্লাহ সবকিছু শুনেন ও জানেন।” [সূরা হুজুরাত (৪৯):১]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here