বৈশ্বিকমহামারী করোনা রোগ থেকে বাঁচার জন্যে দশটি উপদেশ

0
197

মূল- শেখ আব্দুর রাজ্জাক আল বদর

অনুবাদ- মাহদী হাসান

 

 

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

 

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্যে যিনি বিপদগ্রস্তের ডাকে সাড়া দিয়ে তার বিপদ দূর করে দেন। বঞ্চিতের ডাকে সাড়া দিয়ে তাকে দান করেন। অনিষ্ঠতার বন্ধন খুলে দেন। মন্দ অবস্থা থেকে পরিত্রাণ দান করেন। তাকে স্মরণ না করলে অন্তর মরে যায়। কোন কিছুই হয় না তার অনুমতি ছাড়া। কেউ তার রহমত ছাড়া কোন আপদ থেকে পরিত্রাণ পেতে পারে না। কোন কিছুই সুরক্ষিত থাকে না তার হেফাযত ছাড়া। তিনি সহজ করে না দিলে কেউ কোন কাজ সম্পাদন করতে পারে না। কেউ সৌভাগ্য অর্জন করতে পারে না তার একান্ত আনুগত্য ছাড়া। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি তিনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই। তিনি এক। তার কোন শরীক নেই। তিনিই এ বিশ্বভ্রম্মাণ্ডের রব। আদি ও অন্তের ইলাহ। পুরো এ সৃষ্টি জগতের মহাব্যাবস্থাপক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার বান্দা ও রাসুল। তিনি সুস্পষ্ট কিতাব ও সহজ সরল পথের দিশা নিয়ে প্রেরিত হয়েছেন। তাঁর প্রতি অগনিত দরুদ ও সালাম বর্ষীত হোক, শান্তি বর্ষীত হোক তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবায়েকিরামের প্রতি।

প্রথমেই মহান আল্লাহর দরবারে দুআ করছি, হে আল্লাহ ! আমাদের ওপর থেকে সবধরনের বালা মুসিবত দূর করে দিন। কঠিন রোগসমুহ থেকে মুক্তি দিন। আপনি আপনার সৎকর্মশীল বান্দাদেরকে যে ভাবে হেফাযত করেন ঠিক সেভাবে আমাদেরকে হেফাযত করুন। আপনিই একমাত্র সাহায্যকারী এবং সর্বশক্তিমান।

এক

মহামারি প্রাদুর্ভাবের পুর্বে পাঠ করার দুআ

হযরত উসমান ইবনে আফফান (রা.) থেকে বর্ণীত, তিনি রাসুল (সা.) কে বলতে শুনেছেন, যে ব্যাক্তি সকাল সন্ধ্যায় এই দুআ তিনবার পাঠ করবে তাহলে তাকে ঐ দিন কোন বালা মুসিবত স্পর্শ করতে পারবে না-

بسم الله الذي لا يضر مع اسمه شيء في الأرض ولافي السماء وهو السميع العليم

আমি আল্লাহর নামে শুরু করছি, যার নামে শুরু করলে আকাশ ও পৃথিবীর কোন বস্তুই কোনরূপ অনিষ্ঠ সাধন করতে পারে না। বস্তুত তিনি হচ্ছেন সর্বশ্রোতা ও সর্বজ্ঞানী।

(আবু দাউদ ৫০৮৮, তিরমিযি ৩৩৮৮)

দুই  

বেশী বেশী পাঠ করা উচিত

 

لااله الا انت سبحانك اني كنت من الظالمين

 

আপনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই, সকল পবিত্রতা আপনার, নিঃস্বন্দেহে আমি জালেমদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে পড়েছি।

আল্লাহ তাআলা বলেন,

وذا النون اذ ذهب مغاضبا فظن ان لن نقدر عليه فنادى في الظلمات ان لا اله الا انت سبحانك اني كنت من الظالمين. فاستجبنا له ونجيناه من الغم وكذالك ننجي المؤمنين

মাছওয়ালাকে স্মরণ করো! যখন তিনি রাগের বশবর্তি হয়ে চলেগিয়াছিলেন আর ধারনা করেছিলেন, আমি তাকে ধরতে পারব না। পরিশেষে তিনি ভেতর থেকে ডেকে উঠলেন,এলাহি! তুমি ছাড়া কোন মাবুদ নেই, তুমি পবিত্র, নিঃস্বন্দেহে আমি জালেমদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে গিয়াছি। আমি তাঁর ডাকে সাড়া দিলাম এবং দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দিলাম। আর আমি ঈমানদারদেরকে এভাবেই বাঁচিয়ে থাকি।    ( আম্বিয়া- ৮৮)

ইমাম ইবনে কাছির (র.) “ আমি ঈমানদারদেরকে এভাবেই বাঁচিয়ে থাকি” এর তাফসীরে লিখেছেন-

যখন মুমিন মুসিবতগ্রস্ত হয়ে আমাকে ডাকতে থাকে, বিশেষ করে এই দুআ করতে থাকে, তখন আমি তাঁর হাত ধরে তাঁর সকল মুসিবত সহজ করে দেই।

রাসুল (সা.) বলেন, ইউনুস (আ.) এর এই দুআর মাধ্যমে যে ব্যাক্তি তাঁর যেকোনো সমস্যায় দুআ করবে, আল্লাহ তাআলা অবশ্যই তা কবুল করবেন।

(সুনানুত তিরমিযি-৩৫০৫, মুসনাদে আহমাদ-১৪৬২)

আল্লামা ইবনুল কাইয়িম (র.) তাঁর কিতাব “আল ফওয়ায়িদ” গ্রন্থে লিখেছেন-

দুনিয়ার সমস্যা দূর করার জন্য তাওহিদের মতো কোন কিছু নেই। সুতরাং দুশিন্তা পেরেশানির মূল দুআ হল তাওহিদ। ইউনুস (আ.) এর তাওহিদ ভরা দুআর মাধ্যমে যদি কোন পেরেশান ব্যাক্তি দুআ করে, তাহলে আল্লাহ তাআলা তাঁর দুআ অবশ্যই কবুল করেন এবং তার পেরেশানি দূর করে দেন।

প্রকাশ থাকে যে, মানুষ অনেক সময় কঠিন বিপদে পতিত হয়, এই বিপদের মূল কারণ হল, শিরক। আর এই বিপদ থেকে বাঁচার একটাই মাধ্যম হল, তাওহিদ। বুঝা গেল,তাওহিদই সৃষ্টির একক আশ্রয়স্থল। তাওহিদের মাধ্যমে বিপদ মুক্তি লাভ করা যায়। (আল ফাওয়াইদ-৫৩)

তিন

কঠিন পরীক্ষার সম্মুখিন হওয়া থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করুন

হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণীত, রাসুল (সা.) কঠিন পরীক্ষা, দুর্ভাগ্য, তাকদিরের অনিষ্টতা, শত্রুকে আনন্দদানকারী পরীক্ষা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন। ( বুখারি- ৬৩৪৭, মুসলিম- ২৭০৭)

অন্য এক বর্ণনায় রাসুল (সা.) লোকদেরকে নির্দেশ দিয়ে বলেন, হে লোকসকল! কঠিন পরীক্ষা, দুর্ভাগ্য, তাকদিরের অনিষ্টতা এবং শত্রুকে আনন্দদানকারী পরীক্ষা থেকে আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করো। (বুখারি- ৬৬১৬)

আমরা আরবীতে এভাবে দুআ করবো-

اعوذبا الله من جهد البلاء ،ودرك الشقاء وسوء القضاء وشماتة الأعداء

 

চার

ঘর থেকে বের হবার সময় দুআ পড়ুন

আনাস ইবনে মালিক (রা.) থেকে বর্ণীত, রাসুল (সা.) বলেন, ঘর থেকে বের হবার সময় এই দুআ পড়বে-

بسم الله توكلت على الله لا حول ولا قوة الا بالله

আল্লাহর নামে ঘর থেকে বের হচ্ছি। আল্লাহর ওপর ভরসা করছি, কোন মন্দ বা অনিষ্টতা থেকে বাঁচা, কোন কল্যাণকর কিছু অর্জন করা আল্লাহর সাহায্য ছাড়া সম্ভব নয়।

এই দুআ করার পর তাকে বলা হয়, তুমি হেদায়াতপ্রাপ্ত হয়েছো। তোমাকে প্রত্যেক বালা মুসিবত থেকে মুক্ত করে দেয়া হল। তখন শয়তান তার থেকে দূর হয়ে যায়। অন্য শয়তান প্রথম শয়তানকে বলে, যাকে হেদায়াত দেয়া হয়েছে, তার প্রতি তোমার কুমন্ত্রনা কী কাজে আসবে! তাকে যথেষ্ট করে দেয়া হয়েছে, তাকে মুসিবত থেকে মুক্ত করে দেয়া হয়েছে।

(আবু দাউদ-৫০৯৪, তিরমিযি-৩৭২৭)

পাঁচ

সকাল সন্ধ্যা আল্লাহর কাছে সুস্থতা কামনা করতে থাকবে 

 

اللهم اني اسألك العافية في الدنيا والاخرة، اللهم اني اسألك العفو والعافية في ديني   ودنياي واهلي ومالي .اللهم استر عوراتي وامن روعاتي . اللهم احفظني من بين يدي ومن خلفي وعن يميني وعن شمالي ومن فوقي واعوذ بعظمتك ان اغتال من تحتي

                                                                  

হে আল্লাহ!আমি তোমার কাছে ইহকাল ও পরকালে সবধরনের সুস্থতার জন্যে প্রার্থনা করছি। হে আল্লাহ! তোমার কাছে ক্ষমা ও সুস্থতা কামনা করছি। আমার দ্বীন ও দুনিয়াতে এবং আমার পরিবার ও ধন সম্পদে। হে আল্লাহ!আমার ত্রুটি বিচ্চুতি ঢেকে রাখো। আমার বিপদ ও শঙ্কায় নিরাপত্তা দান করো। হে আল্লাহ! আমার সামনে পেছনে, আমার দানে বামে, আমার উপর থেকে আমাকে হেফাযত করো। আর আমি তোমার মহত্তের অসিলায় নীচের দিকে ধংশ হওয়া বা ধ্বসিয়ে দেয়া থেকে তোমার আশ্রয় কামনা করছি।

( সুনানে আবু দাউদ- ৫০৭৪, মুস্নাদে আহমাদ- ৪৭৮৫)

ছয়

বেশী বেশী দুআর প্রতি গুরুত্বারোপ করবে

ইবনে ওমর (রা.) বলেন, আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, তোমাদের মধ্যে যে কারো জন্য দুআর দরজা খুলে দেয়া হয়েছে, তাঁর জন্যে যেন রহমতের দরজা খুলে দেয়া হয়েছে। সুতরাং আল্লাহ তাআলার কাছে চাওয়া উচিত। এটা তিনি পছন্দ করেন। তাঁর কাছে সুস্থতার জন্যও দুআ করা উচিত। (তিরমিযি-৩৫৪৭)

তাছাড়া আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন-

ان الدعاء ينفع مما نزل وممالم ينزل ، فعليكم عبادالله بالدعاء

দুআ ঐ মুসিবতেও উপকার করে যা এসে গিয়েছে, এবং সেই মুসিবত থেকেও বাচাবে যা এখনও আসেনি। সুতরাং হে আল্লাহর বান্দারা! তোমরা সর্বদা দুআ করতে থাকো। (তিরমিযি- ৩৫৪৭)

সাত

যেখানে মহামারি ছড়িয়েছে সেখানে যাওয়া যাবে না

আব্দুল্লাহ ইবনে আমির থেকে বর্ণীত, তিনি বলেন, হযরত ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) সিরিয়ার উদ্দেশে রওনা হন। তিনি সাজাগ নামক স্থানে পৌছে খবর পান যে, সিরিয়ায় মহামারি ছড়িয়ে পড়েছে। আব্দুর রাহমান ইবনে আওফ (রা.) তাকে বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, যখন তোমরা কোন এলাকার ব্যাপারে শুনবে যে, সেখানে মহামারি ছড়িয়ে পড়েছে, সেখানে যাবে না। আর মহামারি ছড়িয়ে পড়া এলাকা থেকেও তোমরা পালিয়ে ভাগবে না।

(বুখারি-৬৯৭৩, মুসলিম- ২২১৯)

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণীত, রাসুল (সা.) বলেন,

لايورد الممرض على المصح

অসুস্থকে সুস্থ ব্যাক্তির কাছে নিয়ে এসোনা। ( অথবা অসুস্থ উটের মালিক তাঁর উটকে সুস্থ উটের কাছে আনবে না।)  (বুখারি- ৫৭৭৪,মুসলিম- ২২২১)

আট

কল্যাণকর কাজে মনযোগী হও

হযরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণীত, রাসুল (সা.) বলেন,

صنائع المعروف تقي مصارع السوء، والافات، والهلكات، واهل المعروف في الدنيا هم اهل المعروف في الاخرة

 

ভালো  কাজের ফলশ্রুতি মন্দ হলে তা বালা মুসিবত থেকে বাচাবে। যে দুনিয়াতে ভাল হয় সে পরকালেও ভাক হবে। (মুসতাদরাকে হাকিম-৪২৯)

ইমাম ইবনুল কায়্যিম (রা.) লিখেছেন-

রোগের সবচেয়ে বড় চিকিৎসা হল,ভাল ও কল্যাণকর কাজ করবে, যিকির, দুআ, খুশু-খুযু এবং আল্লাহর সামনে কেঁদে কেঁদে তাওবা করবে, আনুগত্যে অবনত হবে। এসব কাজ রোগ ভাল হবার ক্ষেত্রে প্রভাব রাখে। এটা তখন উপকার দর্শাবে, যখন অন্তরে এর যোগ্যতা থাকবে, মন এটা গ্রহন করবে, এবং এটা উপকারি বলে আন্তরিক দৃঢ় বিশ্বাস থাকবে। (যাদুল মাআদ-১৩২/৪)

 নয়   

তাহাজ্জুদের নামাজ রীতিমত আদায় করবে

হযরত বিলাল (রা.) থেকে বর্ণীত, রাসুল (সা.) বলেন-

হে লোকসকল! কিয়ামুল্লাইল অর্থাৎ তাহাজ্জুদ নামাজ রীতিমত আদায় করো।কেননা তোমাদের পূর্বের নেককার লোকদের এটাই নিয়ম ছিল। রাতের কিয়াম বা তাহাজ্জুদ আল্লাহ তাআলার নৈকট্য লাভের, গুনাহ থেকে দূরে থাকার, গুনাহ মুছে যাওয়ার এবং শরীর থেকে রোগ শোক দূর করে দেয়ার মাধ্যম হয়।                ( তিরমিযি-৩৫৪৯, সাহিহ ইবনি খুযাইমাহ-১১৩৫)

দশ   

খাবারের পাত্র ঢেকে রাখুন

জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণীত, তিনি বলেন, আমি রাসুল (সা.) কে বলতে শুনেছি- খাবারের পাত্র ঢেকে রাখো। পানির পাত্রের মুখ বন্ধ করে রাখো। কেননা বছরে এক রাত এমন আসে, যে রাতে মহামারী নাজিল হয়। যখনই আলগা পাত্র বা আলগা পানির পাত্রের পাশ দিয়ে ঐ মহামারী অতিবাহিত হয়, তখন মহামারির কিছু অংশ ঐ খোলা পাত্রে পড়ে যায়।                                                                                                                                             (মুসলিম- ২০১৪)

ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রা.) বলেন-

وهذا مما لاتناله علوم الأطباء ومعارفهم

এটা  ( নববী চিকিৎসা শাস্ত্রের) এমন জ্ঞান, যে পর্যন্ত ডাক্তারদের জ্ঞান এখনও পৌঁছতে পারেনি। (যাদুল মাআদ-২১৩/৪)

পরিশেষে আবেদন হল, প্রত্যেক মুসলমান আবশ্যই নিজেদের কাজ কর্ম আলাহের হাতে সোপর্দ করবেন। কেননা সবকিছুর বাগডোর তাঁরই হাতে রয়েছে। সবাই তাঁর অনুগামী।

বিপদ্গ্রস্ত ব্যাক্তিরা ধৈর্য ও একাগ্রতার মাধ্যমে উপকৃত হবার চেষ্টা করবেন। কেননা বিপদে ধৈর্যধারনকারীদের জন্যে আল্লাহ তাআলা মহান সাওয়াব ও উত্তম বিনিময়ের ওয়াদা করেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন-

انمايوفى الصابرون اجرهم بغير حساب

নিঃস্বন্দেহে ধৈর্যধারণকারীদেরকেই তাদের পূর্ণ বিনিময় দেয়া হয়।

(যুমার-১০)

হযরত আয়েশা (রা.)থেকে বর্ণীত, তিনি রাসুল (সা.) কে মহামারির ব্যাপারে জিজ্ঞেস করেন, জবাবে আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন- মহামারী আল্লাহর আযাব। সেটা তিনি যাকে ইচ্ছা তার কাছে পাঠিয়ে দেন। ঈমানদারদের জন্য তিনি একে রহমত বানিয়ে দিয়েছেন। এখন আল্লাহর কোন বান্দা যদি মহামারী ছড়িয়ে পড়া শহরে ধৈর্য সহকারে অবস্থান করে এবং বিশ্বাস রাখে যে, আল্লাহ তাঁর জন্য যা লিখে দিয়েছেন, তা ঘটবেই, তাহলে সে শহীদের সমান সাওয়াব পাবে।                                                                                              (বুখারি-৫৭৩৪)

আল্লাহ তাআলার কাছে দুআ করি, তিনি আমাদেরকে এসব আমল করার তাওফিক দান করুন, যে আমলের মাধ্যমে তিনি রাযী খুশি হন। আল্লাহর বানী সত্য। তিনিই একমাত্র হেদায়াতদানকারী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here